মিরপুর টেস্টে ড্র করে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। সিলেট টেস্টে শেষ এক ঘণ্টায় নাটকীয় পতন না হলে হয়তো পুরো সিরিজই ড্র হতে পারত। সেই ম্যাচে শেষ এক ঘণ্টায় ৬ উইকেট হারিয়ে সহজ ড্রয়ের ম্যাচ হেরেছে টাইগার ‘এ’ দল। স্বাভাবিকভাবেই সিরিজ হারের পর এই প্রশ্ন এসেছে সংবাদ সম্মেলনে। আর এর ব্যাখ্যা দিতে গিয়েই বাংলাদেশের ক্রিকেট কাঠামোর অনেক বড় কমতি তুলে ধরেছেন ‘এ’ দলের অধিনায়ক।
চাপের মুহূর্তে বাংলাদেশের এলোমেলো ক্রিকেট খেলার কারণ নিয়ে সোহান বলেন, ‘প্রতিবন্ধকতাটা মানসিক, এটা আমাদের পার করতে হবে। বাংলাদেশের ক্রিকেট সংস্কৃতির জন্য বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ। আমি একটা উদাহরণ দিই….২০২২ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আমাদের কোচ ছিল শ্রীরাম (শ্রীধরন শ্রীরাম)। আমি ওকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, ”ভারতে কোনো নতুন খেলোয়াড় এসেই রান পায়, আমাদের সমস্যাটা কী?” ও আমাকে বলেছে, এটা মানসিক প্রতিবন্ধকতা। আমরা ভাবি, জাতীয় দলে খেলতে পারলে কী হবে, না পারলে কী হবে বা এখান থেকে বাদ গেলে কী হবে। ওদের কিন্তু ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করার সময় নাই। ওদের যে কাঠামো আছে, ওরা রঞ্জি ট্রফি খেলছে, অন্যান্য টুর্নামেন্ট খেলছে, আইপিএল আছে। ওদের কোনো মানসিক প্রতিবন্ধকতা নেই, স্বাধীনভাবে খেলতে পারছে। ওই স্বাধীনতা নিয়ে খেলতে পারলে আমাদেরও মানসিক প্রতিবন্ধকতা এড়ানো সহজ হবে।’
দলের মধ্যে একটি সংস্কৃতির পরিবর্তন চান সোহান। জাতীয় দল বা যেকোনো দলে খেলার সময় ব্যক্তিগত নৈপুণ্য নয় বরং দলের জন্য খেলার প্রবণতা সৃষ্টির সংস্কৃতি চান ‘এ’ দলের অধিনায়ক। খেলার মধ্যে থাকার জন্য যেন ভাবতে না হয় ক্রিকেটারকে, এমন সংস্কৃতি চান তিনি। অর্থাৎ খেলোয়াড়দের জন্য বেশি বেশি সুযোগ তৈরির দিকে জোর দিয়েছেন তিনি। ‘এ’ দলের এই সিরিজে ড্রেসিংরুমে এই সংস্কৃতি তৈরির চেষ্টা করেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

