শোরে ইয়েস কার্ড পেল চার জেলার ৫৯ সাঁতারু। ছবি: দেশ সময়
‘সেরা সাঁতারুর খোঁজে বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় যশোর থেকে ইয়েস কার্ড পেয়েছেন চার জেলার ৫৯জন ক্ষুদে সাঁতারু। এর মধ্যে ৪৩জন বালক ও ১৬ বালিকা। বুধবার (১৮ জুন) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত যশোর জেলা ক্রীড়া সংস্থার সুইমিংপুলে যশোর, মাগুরা, ঝিনাইদহ ও নড়াইল জেলার দুই শতাধিক সাঁতারুর মধ্য থেকে তাদের বাছাই করা হয়।
বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের উদ্যোগে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সহায়তায় নবীন প্রতিভাবান সাঁতারু সন্ধানের লক্ষ্যে ‘সেরা সাঁতারুর খোঁজে বাংলাদেশ’ শীর্ষক সুইমার ট্যালেন্ট হান্টের আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে মেধাবী সম্ভাবনাময়ী ও সুবিধাবঞ্চিত সাঁতারুদের খুঁজে বের করে দেশের ক্রীড়া সম্পদে পরিণত করার একটি প্রয়াস বলে জানান আয়োজক সংশ্লিষ্টরা।

বিকেলে সমাপনী অনুষ্ঠানে উত্তীর্ণ সাঁতারুদের ইয়েস কার্ড দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন যশোরের জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম।
এসময় তিনি বলেন, ‘সাঁতার শুধু একটি খেলা নয়। জীবন বাঁচানোর কৌশলও। আমাদের প্রতিবছর যে পরিমাণ পানিতে ডুবে শিশু মারা যায়; তার একটাই কারণ সাঁতার না জানা। তৃণমূল পর্যায়ে এ ধরনের আয়োজনের মধ্যে দিয়ে মেধাবি সাঁতারু উঠে আসবে। আমি প্রতাশ্যা করি, আজকে যারা বিজয়ী হলো, তারা জাতীয় পর্যায়ে অংশ নিয়ে নিজ নিজ জেলার সুনাম বয়ে আনবে।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন নৌ বাহিনীর লে. কমান্ডার ফাহিম আহমদ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা খালিদ জাহাঙ্গীর, বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের সদস্য মাহাবুবুর রহমান, নাজিম উদ্দিন, স্পন্সর প্রতিষ্ঠান প্রাইম ব্যাংকের যশোর শাখার ম্যানেজার মোস্তফা মাহমুদ প্রমুখ।
আয়োজকরা জানিয়েছে, দেশের প্রতিটি জেলার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে প্রতিভাবান সাঁতারু খুঁজে বের করে দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাঁদের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সাঁতারু তৈরির লক্ষ্যে বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশনের ৮ টি বিভাগ ও ৬৪ টি জেলা থেকে ১৫টি ভেন্যুতে সাঁতারু বাছাই করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে প্রায় ৬শ’ উদীয়মান সাঁতারু নির্বাচন করা হবে।
