পূর্বাচলে রাজউকের প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের করা তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ-৫-এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন দুদকের করা পৃথক তিন মামলায় এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের পর্যবেক্ষণে বিচারক বলেন, শেখ হাসিনার সম্পদের প্রতি লোভ আছে। উনি বরাদ্দ না চাইলে কাগজ ছুড়ে ফেলতে পারতেন। প্লট না নিতে পারতেন। উনার লিগাল অ্যাডভাইজার, ল মিনিস্টার আছে। তাদের দিয়ে মানা করতে পারতেন। কিন্তু তিনি পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দ নেন।
এক্ষেত্রে রাজউক, গৃহায়ন মন্ত্রণালয় ও শেখ হাসিনা অপরাধ করেছেন। তিনি প্রতারণা করেছেন।
আদালত প্রশ্ন রেখে বলেন, চারবার ক্ষমতায় থাকার পরও কেন শেখ হাসিনাকে টাকা-সম্পত্তি এভাবে প্রতারণা করে নিতে হবে? এ সময় আদালত আরও বলেন, শেষ হাসিনা কোটা ব্যবস্থার অপব্যবহার না করলে দেশের সাধারণ নাগরিকরা প্লট পেতেন। তিনি সাধারণ নাগরিকের অধিকার খর্ব করেছেন।
প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে গত জানুয়ারিতে পৃথক ৬ মামলা করে দুদক। সবগুলো মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া। এরপর ৩১ জুলাই শেখ হাসিনাসহ এই তিন মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।
