নোয়াখালী দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় প্রকৌশলী ফজলুল আজিম সাহেবের বিরুদ্ধে গিয়ে কেউ কখনও সফল হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন হাতিয়ার প্রভাবশালী তরুণ রাজনীতিবিদ প্রকৌশলী ফারহান আজিম।
৪ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার তিনি তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুকে এই পোস্ট করেন।
এসময় তিনি আরও বলেন,বর্তমান হাতিয়ার রাজনীতিতে মানুষের মনে অনেক পরিবর্তন দেখা দিয়েছে ,সেটি হচ্ছে এক মহল চাটুকারিতা’র দল মানুষের ব্রেন ওয়াশ করতেছে, মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে।
কিন্তু হাতিয়াতে বিএনপি বলতে সাধারণ মানুষ প্রকৌশলী ফজলুল আজিম সাহেব কে চিনেন৷ আর তিনিই শিখিয়েছেন হাতিয়াতে বিএনপির রাজনীতি কিভাবে করতে হয়। তিনি আরও জানান, মোঃ ফজলুল আজিম সাহেবের বিরুদ্ধে গিয়ে কেউ কখনও সফল হবে না।
এছাড়াও তিনি বলেন, আমি হাতিয়ার রাজনীতিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। প্রিয় হাতিয়াবাসী, একটি কথা মনে রাখবেন নীতিহীন নেতা বিপদজনক।
উল্লেখ্য যে, নোয়াখালী হাতিয়া আসনের সাবেক এমপি প্রকৌশলী ফজলুল আজিম বহুমুখী প্রতিভায় ভাস্বর, বর্ণিল গুণাবলীর কর্মযোগী ব্যক্তিত্ব। সমগ্র দেশে তিনি খ্যাতিমান সুদক্ষ পার্লামেন্টারিয়ান হিসেবই পরিচিত।
তিনি সর্বশেষ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ হাতিয়া থেকে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হন। এর আগেও তিনি ষষ্ঠ ও সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাতিয়া থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বিএনপি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হলেও হাতিয়ার রাজনীতিতে তাঁর সর্বদলীয় গ্রহনযোগ্যতা রয়েছে। তাঁর প্রতিষ্ঠিত আজিম গ্রুপ অব কোম্পানি দেশের অগণিত মানুষের কর্মসংস্থানে ভুমিকা রেখেছে। প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম সাহেবের রয়েছে সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন। একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও বিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তিনি সর্বমহলে প্রশংসিত । নবম জাতীয় সংসদে যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করেন, তখন একজন মাত্র সংসদ সদস্য সেদিন এর বিপক্ষে তীব্র বিরোধিতা করেছিলেন এবং দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে বলেছিলেন, মাননীয় স্পীকার সমগ্র দেশকে আজ একটি বিভাজন করে অগ্নিগর্ভে নিক্ষেপ করা হলো। তিনি জনমত যাচাইয়ের জন্য সেদিন জনগণের ম্যান্ডেট নিতে বলেছিলেন। তাঁর সংসদে সেই বক্তব্য আজ সত্য প্রমাণিত। এজন্য জাতিকে অনেক খেসারত দিতে হয়েছে, অগণিত তরুণ-যুবার প্রাণহানি ঘটেছে। তাঁর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে মহান জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধিতে।
এছাড়াও হাতিয়া দ্বীপের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন বিশেষত তমরদ্দিতে ব্লক বাঁধ দিয়ে নদী ভাঙ্গন থেকে রক্ষা করেছেন। বিধ্বস্ত হরণী ও চানন্দী ইউনিয়ন পুনর্গঠন করে জেগে ওঠা চরাঞ্চলকে হাতিয়া উপজেলার সঙ্গে সম্পৃক্ত করে বিপন্ন মানুষকে বসবাসের আধুনিক পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছেন। দেশের ঐতিহ্যবাহী পর্যটন জোন নিঝুমদ্বীপকে একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন গঠন করে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করেছেন। তিনি হাতিয়া দ্বীপে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপনসহ অবকাঠামো উন্নয়নে তিনি অভূতপূর্ব অবদান রেখেছেন।
প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফজলুল আজিম হাতিয়া দ্বীপের একজন সুযোগ্য সন্তান হিসেবে মহান জাতীয় সংসদে যে দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন তা তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার উৎস।
