সরকারি কোষাগার বা রাজস্ব খাত থেকে কোনো অর্থ খরচ না করেই সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা সফলভাবে সম্প্রচার করেছে সরকার। আগামী বিশ্বকাপকে বাণিজ্যিক দিক থেকেও একটি লাভজনক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার সার্বিক উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

রোববার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তথ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।
কোনো ধরনের সরকারি অর্থ ব্যয় না করে সফলভাবে বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচারের উদ্যোগ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নের জন্য তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান উপস্থিত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপ সরাসরি সম্প্রচারে বাংলাদেশ সরকারের নিজস্ব তহবিল বা রাজকোষ থেকে কোনো টাকা খরচ হয়নি। ফিফা থেকে তিন কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয়ে সম্প্রচার স্বত্ব কেনা হয়। পরে অন্য স্থানীয় টিভি চ্যানেল, মোবাইল অপারেটর ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মের কাছে সাব-লাইসেন্সিং এবং সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি করা হয়। পাশাপাশি বিজ্ঞাপন থেকে পর্যাপ্ত আয় হয়। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ওঠা সামান্য তিন থেকে পাঁচ কোটি টাকার ঘাটতিসহ এই বিপুল খরচের পুরোটাই মেটানো করা সম্ভব হয়েছে।
সাংবাদিক সম্মেলনে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের খুঁজে বের করতে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে উদীয়মান ক্রীড়াবিদদের বাছাই করে তাদের যাবতীয় দায়িত্ব গ্রহণ করবে সরকার। মূলত আগামী অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশের শক্তিশালী অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এবং অ্যাথলেটদের বিশ্বমানের হিসেবে প্রস্তুত করতেই এই উদ্যোগ।
খেলাধুলার অবকাঠামোগত মান উন্নয়নে সরকারের নির্দেশনার কথা উল্লেখ করে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দেশের প্রতিটি খালি জায়গা খুঁজে বের করে খেলাধুলার উপযোগী মাঠ তৈরির স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সারাদেশের চার হাজার ৫৯৯টি ইউনিয়নে অন্তত একটি করে পূর্ণাঙ্গ খেলার মাঠ তৈরির মহাপরিকল্পনা ও উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার।
