হাতিয়া কণ্ঠ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক, প্রবীণ সাংবাদিক, লেখক এবং সাহিত্যিক এম. দিলদার উদ্দিন আর নেই। বুধবার (১ জুলাই) রাতে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রাতে হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা অনুভব করলে তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই পথিমধ্যে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
এম. দিলদার উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছিলেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের বিকাশে তাঁর ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। তাঁর প্রতিষ্ঠিত সাপ্তাহিক হাতিয়া কণ্ঠ দীর্ঘ সময় ধরে এলাকার মানুষের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য সংবাদমাধ্যম হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। তিনি পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশকের দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেন।
সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি গল্প, প্রবন্ধ ও বিভিন্ন সাহিত্যকর্ম রচনার মাধ্যমে পাঠকমহলেও সমাদৃত ছিলেন। তাঁর কর্মজীবন স্থানীয় সাংবাদিকতা ও সাহিত্যাঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তাঁর মৃত্যুতে নোয়াখালী ও হাতিয়ার সাংবাদিক সমাজে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন সাংবাদিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করে মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।
এদিকে হাতিয়া প্রেসক্লাব এক শোকবার্তায় এম. দিলদার উদ্দিনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা এবং পরিবারের সদস্যদের এই শোক সইবার শক্তি দান করার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করা হয়েছে।
