desh somoy logo
ঢাকাWednesday , 27 May 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আবহাওয়া
  4. ইসলাম
  5. খেলা
  6. চট্টগ্রাম বিভাগ
  7. চাকরি
  8. ঢাকা বিভাগ
  9. ধর্ম
  10. প্রযুক্তি সময়
  11. বরিশাল বিভাগ
  12. বানিজ্য
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. বিশ্ব
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রাতভর তীব্র যানজট, সকালে বৃষ্টিঈদ ছুটির দুদিন শেষ সড়কেই

দেশ সময়
May 27, 2026 2:42 pm
Link Copied!

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়ায় গাজীপুরের মহাসড়কগুলোতে দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট ও চরম ভোগান্তি। রাতভর যানজটে আটকে থাকার পর সকালে হঠাৎ বৃষ্টিতে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। এখনো শত শত যাত্রী পরিবহণের অপেক্ষায় রয়েছেন। যাত্রীরা আক্ষেপ করে বলছেন, ১০দিন ঈদ ছুটির দুদিন শেষ হয়ে যাচ্ছে সড়কেই।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর থেকে গাজীপুরের দুটি প্রধান মহাসড়কে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। এতে ধীরে ধীরে যানজটের সৃষ্টি হয়। রাতের দিকে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কে প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজটে আটকা পড়েন যাত্রীরা। কয়েক কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয় যাত্রীদের।

যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা পূর্ব অংশের প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ পার হতে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। রাতে বিভিন্ন স্থানে যানবাহন দীর্ঘ সময় থেমে ছিল। ভোরে কিছুটা স্বাভাবিক হলেও সকালে আবার বৃষ্টি শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়।

বুধবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে শুরু হওয়া তুমুল বৃষ্টির কারণে মহাসড়কে চরম দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা। চন্দ্রা, সফিপুর, পল্লী বিদ্যুৎসহ বিভিন্ন এলাকায় এখনো শত শত মানুষ পরিবহণের অপেক্ষায় রয়েছেন। অনেকেই বৃষ্টিতে ভিজে ট্রাক ও পিকআপে করে গন্তব্যের দিকে রওনা হচ্ছেন।

আবেদ আলী হাসান নামে এক যাত্রী বলেন, চৌরাস্তা থেকে চন্দ্রা ত্রিমোড় আসতে সাধারণত ১ ঘণ্টা লাগে। কিন্তু গতকাল রাতে রওনা হয়ে আজ ভোরে পৌঁছেছি। যানজটের সঙ্গে বৃষ্টির কারণে ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

খোদেজা বেগম নামে আরেক যাত্রী বলেন, দশ দিন ঈদ ছুটির দুদিন শেষ হয়ে যাবে সড়কেই। ভেবেছিলাম এবার ভোগান্তি কম হবে, কিন্তু এবার আরও সমস্যা বেশি।  ভালো গাড়ি পেলে বসে থাকা যায়।গতকাল বিকালে বের হয়ে আবার বাসায় ফিরে গিয়েছিলাম। সকালে বের হয়েছি, কিন্তু বৃষ্টি ও গাড়ি সংকট।

একতা পরিবহণের বাসচালক আব্দুল সাত্তার বলেন, ঢাকা থেকে চন্দ্রা আসতেই ৮ ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে। যানজটে আমরা যেমন ভোগান্তিতে, যাত্রীরাও একই অবস্থায় আছে।

চন্দ্রায় কর্মরত ট্রাফিক সার্জেন্ট শিবলু বলেন, রাতভর যানজট নিরসনে আমরা কাজ করেছি। সকালে বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। তবে দুপুরের মধ্যে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার আশা করছি।

নাওজোর হাইওয়ে থানার ওসি সওগাতুল আলম বলেন, বৃষ্টির কারণে ভোগান্তি বেড়েছে। হাইওয়ে পুলিশসহ সব ইউনিটের সদস্যরা মহাসড়কে কাজ করছে। আশা করছি দুপুরের মধ্যে পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।