খাদ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা রেশনিং এলাকায় ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) ডিলার নিয়োগের নতুন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এ নিয়োগ কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ উঠলেও তদন্তে এখন পর্যন্ত অভিযোগের পক্ষে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
ঢাকা রেশনিং দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর খাদ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা নির্দেশনার ভিত্তিতে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করা পুরোনো ওএমএস ডিলারদের ডিলারশিপ বাতিল করা হয়। এরপর নতুন ডিলার নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
নতুন ডিলার নির্বাচনের জন্য বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকার সভাপতিত্বে উন্মুক্ত লটারির আয়োজন করা হয়। সংশ্লিষ্টদের দাবি, পুরো নিয়োগ কার্যক্রম স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়েছে।
তবে এ প্রক্রিয়া নিয়ে কয়েকটি অভিযোগ জমা পড়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ে। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত শুরু করা হয়। বুধবার (১৮ জুন ২০২৬) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মোস্তাক আহমেদের উপস্থিতিতে এ তদন্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভিযোগের পক্ষে গ্রহণযোগ্য কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
এদিকে, অভিযোগকারী তারিকুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা ঢাকা রেশনিং দপ্তরে গিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় উপস্থিত কয়েকজন ডিলার ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র আরও জানায়, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুরোনো ডিলারশিপ বাতিল করে লটারির মাধ্যমে নতুন ডিলার নির্বাচন করা হলেও একটি পক্ষ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিয়ে আসছে। একই সঙ্গে নতুন ডিলারদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে উঠেছে।
তদন্ত চলাকালে পরিস্থিতি কিছুটা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে জানা গেছে। তবে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য যাচাই করা হচ্ছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে কোনো অনিয়মের নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
