ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের বিরুদ্ধে বিপজ্জনক যুদ্ধ শুরু করেছে। রোববার (২২ জুন) এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম সংবাদ সংস্থার বরাত দিয়ে এই খবর জানায় মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বিশ্বের ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে, কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাঝে থাকা অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র কূটনীতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে।’ ইসরাইলকে গণহত্যা এবং আইনবর্জিত হিসেবে বর্ণনা করে বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে একটি বিপজ্জনক যুদ্ধ শুরু করার অভিযোগ করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়েছে, ‘এই হামলাগুলো জাতিসংঘের সনদ এবং আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং মার্কিন সরকার এই জঘন্য অপরাধের গুরুতর পরিণতি এবং ভয়াবহ ফল ভোগ করার জন্য সম্পূর্ণ দায় বহন করবে।’
মন্ত্রণালয় সতর্ক করে বলেছে, ‘মার্কিন সামরিক আগ্রাসন এবং এই দুর্বৃত্ত শাসকগোষ্ঠীর সংঘটিত অপরাধের বিরুদ্ধে পূর্ণ ও দৃঢ়ভাবে প্রতিরোধ করা এবং প্রয়োজনীয় সকল উপায়ে ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষা করা ইরানের বৈধ অধিকার।’
এতে জাতিসংঘ এবং এর বিভিন্ন সংস্থাকে জরুরিভাবে এই ঘৃণ্য এবং অপরাধমূলক অবৈধ কাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই সংস্থাগুলোর মধ্যে এর পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থাও রয়েছে।
এছাড়া জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে এই হামলার নিন্দা জানাতে একটি জরুরি অধিবেশন আহ্বান করার কথাও বলা হয়েছে।
১৩ জুন ইরানে আকস্মিক হামলা চালায় ইসরাইল। এরপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে ইসরাইলের হামলার জবাব দেয় ইরান। স্থানীয় সময় রোববার ভোরে ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
