দেশের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের জন্য নতুন ব্যয়ের চাপ তৈরি হতে পারে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বুধবার (৩ জুন) বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার ঘোষণা করতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে। তবে নিম্ন আয়ের গ্রাহকদের জন্য বিদ্যমান ‘লাইফ লাইন’ সুবিধা আপাতত অপরিবর্তিত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
বিইআরসির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ১১টায় কমিশনের কারিগরি কমিটির বৈঠকে ইউনিটপ্রতি মূল্যবৃদ্ধির হার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বৈঠক শেষে বিকেলে নতুন ট্যারিফ ঘোষণা করা হতে পারে।
এ বিষয়ে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, কারিগরি কমিটি বিষয়টি পর্যালোচনা করছে এবং আজই সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে।
এর আগে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি বিদ্যুতের ইউনিটপ্রতি মূল্য ১ টাকা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল।
জ্বালানি খাতের বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি শুধু গ্রাহকদের বিল বাড়াবে না, বরং শিল্প উৎপাদন, কৃষিতে সেচ কার্যক্রম, পরিবহন, কোল্ড স্টোরেজসহ বিভিন্ন খাতের ব্যয়ও বাড়িয়ে দিতে পারে। এর ফলে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
উল্লেখ্য, বিইআরসির গণশুনানিতে বিভিন্ন বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি ইউনিটপ্রতি ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছিল। পরবর্তীতে কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি গড়ে ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ২৫ পয়সা বৃদ্ধির সুপারিশ করে, যা কমিশন অনুমোদন করতে পারে বলে জানা গেছে।
