গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ১১ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এখনো কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুন সন্ধ্যার পর সদর উপজেলার বল্লমঝাড় ইউনিয়নের কোমরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার জানায়, বাড়ির পাশে গেলে দুই যুবক তাকে জোরপূর্বক নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন করে।
ঘটনার পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে পরিবার গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা মোছাঃ হাছিনা খাতুন গাইবান্ধা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(১)/৩০ ধারায় মামলা রুজু করে।
মামলায় পলাশবাড়ী উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের রহিম মিয়ার ছেলে নোবেল মিয়া (২০) এবং কোমরপুর গ্রামের পাপুল মিয়ার ছেলে তারেক (১৯)-কে আসামি করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মামলাটি তদন্ত করছেন তদন্ত কর্মকর্তা সুমঙ্গল কুমার দাশ। সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সাব-ইন্সপেক্টর মো. আশাদুল ইসলাম।
এদিকে এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবার দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত চলছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
