desh somoy logo
ঢাকাThursday , 18 June 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আবহাওয়া
  4. ইসলাম
  5. খেলা
  6. চট্টগ্রাম বিভাগ
  7. চাকরি
  8. ঢাকা বিভাগ
  9. ধর্ম
  10. প্রযুক্তি সময়
  11. বরিশাল বিভাগ
  12. বানিজ্য
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. বিশ্ব
আজকের সর্বশেষ সবখবর

” সিন্ডিকেট” যুক্ত বিসিবির অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড, মূল হোতা ২জন

দেশ সময়
June 18, 2026 5:28 pm
Link Copied!

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাংবাদিক অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড প্রদান প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতার অভাব, পক্ষপাতিত্ব, স্বজনপ্রীতি এবং দীর্ঘদিন ধরে একটি নির্দিষ্ট বলয়ের প্রভাবের অভিযোগ তুলেছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকরা। তাদের দাবি, যোগ্য ও পেশাদার ক্রীড়া সাংবাদিকদের বাদ দিয়ে প্রভাবশালী একটি গোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দেওয়ার সংস্কৃতি বহু বছর ধরে চলে আসছে।

সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিষয়টি নিয়ে বিসিবি সংশ্লিষ্ট মহল এবং সাংবাদিক সমাজে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। এরপর বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী ও বিসিবির একাধিক কর্মকর্তা এই প্রতিবেদকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড প্রদানের প্রক্রিয়া নিয়ে নানা অভিযোগ ও অসন্তোষের কথা জানান।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিসিবির অ্যাক্রেডিটেশন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন কর্মকর্তা কার্ড প্রদানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। অভিযোগ রয়েছে, তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে পারা কিছু সাংবাদিক নিয়মিতভাবে অ্যাক্রেডিটেশন সুবিধা পেলেও অনেক অভিজ্ঞ ও কর্মরত ক্রীড়া সাংবাদিক আবেদন করেও বঞ্চিত হচ্ছেন।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, মাঠপর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া সাংবাদিকতা না করেও কিছু ব্যক্তি বছরের পর বছর অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড পেয়ে আসছেন। অন্যদিকে জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে নিয়মিত খেলার সংবাদ প্রকাশ করেও অনেক সাংবাদিক সুযোগ পাচ্ছেন না। এতে করে প্রকৃত সংবাদকর্মীদের মধ্যে হতাশা বাড়ছে।

চট্টগ্রামে কর্মরত একটি জাতীয় দৈনিকের এক ক্রীড়া প্রতিবেদক বলেন, “যারা নিয়মিত মাঠে কাজ করেন, সংবাদ তৈরি করেন এবং ক্রীড়া সাংবাদিকতাকে পেশা হিসেবে নিয়েছেন, তাদের অনেকেই সুযোগ পান না। অথচ এমন অনেককে কার্ড দেওয়া হয় যাদের মাঠে উপস্থিতি মূলত আনুষ্ঠানিকতা কিংবা ব্যক্তিগত প্রচারণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিবির এক কর্মকর্তা অভিযোগ করে বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে একই ব্যক্তিদের হাতে এই দায়িত্ব থাকায় একটি প্রভাববলয় তৈরি হয়েছে। ফলে নতুন আবেদনকারীদের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। পুরো প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করা প্রয়োজন।”

সাংবাদিকদের দাবি, অ্যাক্রেডিটেশন প্রদানের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট নীতিমালা, নির্ধারিত যোগ্যতার মানদণ্ড এবং আবেদন মূল্যায়নের পদ্ধতি প্রকাশ করা উচিত। পাশাপাশি আবেদন বাতিল হলে তার কারণ সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে জানিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থাও চালু করা প্রয়োজন।

তাদের মতে, আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই এবং অনুমোদনের পুরো প্রক্রিয়া ডিজিটাল ও স্বচ্ছ করা হলে বিতর্ক অনেকাংশে কমে আসবে। একইসঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে একই ব্যক্তির হাতে দায়িত্ব না রেখে পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পরিবর্তনেরও দাবি জানিয়েছেন অনেকে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে বিসিবির চট্টগ্রাম কার্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীন হোসেন এবং মিডিয়া বিভাগের কর্মকর্তা মুস্তাফিজ খালুর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ব্যাপক অভিযোগ রয়েছে, এই দুজন সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। তাদের সাথে যারা সুসম্পর্ক রাখতে পেরেছে ও বিশেষ সুবিধা প্রদান করেছে, যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও সেইসব সাংবাদিকা বছরের পর বছর কার্ড পেয়ে আসছে। এছাড়াও অনিবন্ধিত ও অখ্যাত অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও মাল্টি মিডিয়া গণমাধ্যমে কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীরাও কার্ড পেয়ে আসছে সিন্ডিকেটের আশীর্বাদে। অথচ সরকারি নিবন্ধিত জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমের অনেক দক্ষ, তরুণ ও অভিজ্ঞ ক্রীড়া সাংবাদিক কে কার্ড প্রদান
করেনি সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দেওয়া এই দুই ব্যক্তি।

অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বিতরণে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে বিসিবির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো তদন্ত বা ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে জাতীয় ও চট্টগ্রামের স্থানীয় সাংবাদিক মহলে আলোচনা ক্রমেই জোরালো হচ্ছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।