রাজধানীর মিরপুর সিরামিক রোড এলাকায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান।
শনিবার দুপুরে তারা ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
পরিদর্শন শেষে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণে কাজ করছে সিটি কর্পোরেশন। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম ১২ ঘণ্টার মধ্যেই শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “নগরবাসীকে স্বস্তি দিতে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করছেন। আশা করছি নির্ধারিত সময়ের আগেই রাজধানীর অধিকাংশ এলাকা পরিষ্কার করা সম্ভব হবে।”

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম আগামী দুই দিন অব্যাহত থাকবে। এ কাজে প্রায় ১৬ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও ৭৫২টি যানবাহন নিয়োজিত রয়েছে।
নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “কোরবানির বর্জ্য পলিব্যাগে ভরে নির্ধারিত স্থানে রাখুন। তাহলে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা দ্রুত সেগুলো অপসারণ করতে পারবেন।”
ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান বলেন, কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য ডিএনসিসি ৭২ ঘণ্টার সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। নগরবাসীর সহযোগিতা পেলে দ্রুততম সময়ে পুরো নগরী পরিষ্কার করা সম্ভব হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ডিএনসিসি সূত্র জানায়, শনিবার দুপুর ২টা পর্যন্ত সংস্থাটির আওতাধীন বিভিন্ন এলাকা থেকে ৭৩৬টি ট্রিপের মাধ্যমে মোট ৩ হাজার ১৫৮ টন কোরবানির বর্জ্য আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে নেওয়া হয়েছে।
এ সময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ রকিবুল হাসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
