ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর উত্তর সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ বলেন, জুলাই অভ্যুত্থান এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবীর আয়োজনেই যেনো জুলাই শেষ না হয়।
সরকারি চাকরিতে অযৌক্তিকভাবে ৫৬ শতাংশ কোটানির্ভর নিয়োগের সিদ্ধান্তের ফলে যে বৈষম্য বাংলাদেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেই বৈষম্যের বিরুদ্ধে ‘কোটা না মেধা’ স্লোগানের মাধ্যমে এই সংগ্রামের সূচনা হয়। এভাবেই শুরু থেকে জুলাইয়ের প্রতিটি রণক্ষেত্রে এবং সংগ্রামের প্রতিটি মুহূর্তে স্বৈরাচারী খুনি হাসিনা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে রাজপথে রক্তের হোলিখেলায় মেতে ওঠে।
আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরাচারী রাজনীতির পুনরাবৃত্তি আর ঘটতে দেয়া যাবে না। জুলাই কেবল স্মৃতি নয়-এটি ন্যায়ের পক্ষে অন্যায়ের প্রতিবাদ ও মানবিকতার এক চলমান অঙ্গীকার।
বাংলাদেশের মানচিত্রের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসা খুনি হাসিনার ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারী অপশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ দ্রোহ ও জাগরণের লড়াইয়ে অংশগ্রহণ করে। জুলাইর দাবী হলো ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কোন গড়িমসি বরদাস্ত করা হবে না।
আজ ৩ জুলাই’২৬ শুক্রবার সকাল ১০ টায় ভাটারাস্থ নগর উত্তর কার্যালয়ে মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নগরের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী ইঞ্জিনিয়ার মুরাদ হোসেনের সঞ্চালনায় অন্যান্য মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন, মাওলানা নুরুল ইসলাম নাঈম, অ্যাডভোকেট মোস্তফা আল মামুন মনির, মুফতী ফরিদুল ইসলাম, মুফতী মোঃ মাছউদুর রহমান, মুফতি নিজাম উদ্দিন, শরিফুল ইসলাম, মাস্টার অব.ওয়ারেন্ট অফিসার আমিনুল হক তালুকদার, আলহাজ্ব আলাউদ্দিন, মুফতি সিরাজুল ইসলাম, মুফতি মুস্তাকিম বিল্লাহ, মুফতি সাব্বির আহমেদ, মুফতি আরমান হোসাইন, মুফতি হাবিবুল্লাহ প্রমুখ।
