প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সাধারণ মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। যাদের ৮০ ভাগই নারী কর্মী থাকবেন।
তিনি বলেন, দেশের জেলা-উপজেলাভিত্তিক হাসপাতালগুলোর চিকিৎসাসেবা উন্নত করার পাশাপাশি শহর ও গ্রামের বৈষম্য দূর করতে কাজ করছে সরকার।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের (ইউএইচএফপিও) সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জেলা উপজেলাভিত্তিক হাসপাতালগুলোর চিকিৎসাসেবা উন্নত করা হবে। শহর এবং গ্রামের স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য দূর করতে সরকারের কাজ চলমান।’
তিনি বলেন, ‘দেশের স্বাস্থ্যখাত নিয়ে বিএনপি সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। ক্রমান্বয়ে জিডিপির পাঁচ শতাংশ বরাদ্দ দেয়া হবে।
হামের টিকা নিয়ে বিগত দুই সরকারের ব্যর্থতা জীবনবিনাশী অপরাধ বলে উল্লেখ করেছেন সরকারপ্রধান।
তিনি বলেন, ‘দেশের প্রতিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে। সুচিকিৎসার লক্ষ্যে সমন্বিত ই-হেলথ কার্ড চালু করা হবে। ধাপে ধাপে জাতীয় স্বাস্থ্যবীমা চালু করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সুচিকিৎসা নিশ্চিতে দেশের চিকিৎসকের সহায়তা দরকার। সরকারকে সহযোগীতায় প্রত্যেক চিকিৎসককে এগিয়ে আসতে হবে। চিকিৎসকদের নিরাপত্তার বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা হবে, বাকি সমস্যাগুলো পর্যায়ক্রমে করা হবে।’
