রাজধানীর খুচরা বাজারে সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম বেড়েছে। একই সঙ্গে কয়েক সপ্তাহ আগে বাড়া চালের দামও এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে সবজির বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় দাম স্থিতিশীল থাকায় কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন ক্রেতারা।
শুক্রবার (৩ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিপ্রতি ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে একই মুরগির দাম ছিল ১৬০ থেকে ১৭০ টাকার মধ্যে। অন্যদিকে সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায়।
চালের বাজারেও তেমন স্বস্তি নেই। দুই থেকে তিন সপ্তাহ আগে মিনিকেট, নাজিরশাইল ও বিআর-২৮ চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৪ টাকা পর্যন্ত বেড়েছিল। এরপর নতুন করে দাম না বাড়লেও সেই বাড়তি দামে চাল কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।
বর্তমানে মিনিকেট চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭২ টাকা। নাজিরশাইল চালের দাম মানভেদে ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা এবং বিআর-২৮ বা মাঝারি মানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৮ থেকে ৬২ টাকা কেজি দরে।
খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, মিল পর্যায়ে চালের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও দাম কমার কোনো ইঙ্গিত নেই। ফলে খুচরা বাজারেও আগের উচ্চমূল্যই বহাল রয়েছে।
অন্যদিকে সবজির বাজারে ক্রেতাদের জন্য রয়েছে কিছুটা স্বস্তি। বাজারে মৌসুমি ও বিভিন্ন ধরনের সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় অধিকাংশ সবজির দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই রয়েছে।
বর্তমানে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৫০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৪০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, কচি কপি ৫০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, ঝিঙে ৫০ টাকা এবং পটল ৪০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া আলুর কেজি ২৫ টাকা, পেঁয়াজ ৪০ থেকে ৪৫ টাকা এবং প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫০ টাকায়।
বেশিরভাগ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম গত সপ্তাহের মতোই রয়েছে। তবে মাছের বাজারে দেশীয় মাছের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল থাকলেও ইলিশ এখনো উচ্চমূল্যে বিক্রি হচ্ছে।
বর্তমানে চাষের কৈ মাছ প্রতি কেজি ১৮০ টাকা, কাতলা ৪০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা এবং টেংরা মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
অন্যদিকে এক কেজি ওজনের ইলিশের কেজি বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৮০০ টাকায়। দেড় কেজি ওজনের বড় আকারের ইলিশ কিনতে কেজিপ্রতি গুনতে হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার ৫০০ টাকা।
