রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় ঘাট সংকটের কারণে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। এতে শত শত যানবাহন আটকা পড়ায় যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরিঘাটে শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এসবি সুপার ডিলাক্স বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেরির রেলিং ভেঙে নদীতে পড়ে যায়। তবে বাসটিতে কোনো যাত্রী না থাকায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। দুর্ঘটনায় বাসের চালক ও হেলপার আহত হন। তাদের গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
সকালে বাসটি নদীতে পড়ে যাওয়ার পর উদ্ধার তৎপরতার জন্য দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ঘাটটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে চালু থাকে মাত্র দুটি ঘাট। এতে ৩ ও ৪ নম্বর ঘাটের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়।
সরেজমিন শুক্রবার বেলা ৩টার দিকে দেখা যায়, ঘাট সংকটের কারণে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে দৌলতদিয়া মডেল হাইস্কুল পর্যন্ত প্রায় ৩ কিলোমিটারজুড়ে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে দূরপাল্লার বাসের সংখ্যাই বেশি। দীর্ঘ সময় আটকে থাকায় বাসের নারী, শিশু ও অন্যান্য যাত্রীরা তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন।
জেআর পরিবহণের দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক মো. সুজন জানান, দৌলতদিয়ায় মাত্র তিনটি ঘাট দিয়ে ফেরিতে যানবাহন ওঠানামা করা হচ্ছিল। এর মধ্যে শুক্রবার সকাল থেকে দুর্ঘটনার কারণে ৭ নম্বর ঘাটটি বন্ধ রয়েছে। মাত্র দুটি ঘাট দিয়ে এখানে স্বাভাবিক ফেরি পরিচালনা সম্ভব নয়। ফলে মহাসড়কে যাত্রী ও যানবাহন আটকা পড়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাউদ্দিন জানান, সকালে দুর্ঘটনার পর থেকে ৭ নম্বর ঘাটটি বন্ধ হয়ে যায়। মাত্র দুটি ঘাট দিয়ে ফেরি চলাচল করায় মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়েছে। বন্ধ থাকা ঘাটটি বেলা সাড়ে ৩টার দিকে চালু করা হয়েছে। আশা করছি, দুর্ভোগ দ্রুতই কেটে যাবে। বর্তমানে এ নৌপথে ১৬টি ফেরি চলাচল করছে
