বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন খাতের উন্নয়ন প্রকল্প প্রণয়নে সম্ভাব্যতা যাচাই, স্থানীয় জনগণের সম্পৃক্ততা এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা।

সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের চলমান এবং বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)-তে অন্তর্ভুক্ত অননুমোদিত নতুন প্রকল্পসমূহ পর্যালোচনা সভায় এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম, এমপি। উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, এমপি এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, এমপি।

সভায় আফরোজা খানম বলেন, নতুন প্রকল্প গ্রহণের সময় প্রকল্পের সম্ভাবনা, দীর্ঘমেয়াদি সুফল এবং ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। একই সঙ্গে প্রকল্পগুলো যেন একে অপরের পরিপূরক হয় এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার স্থানীয় জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়, সে বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, চলমান প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকারকে সামনে রেখে উন্নয়ন প্রকল্প পরিকল্পনা করতে হবে। তিনি সরাসরি সরকারি অর্থায়নের পরিবর্তে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলের মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাবনা বেশি করে বিবেচনার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের সুফল যেন দেশের সাধারণ মানুষ সরাসরি ভোগ করতে পারে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য।
পর্যালোচনা সভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
