রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক কারবার ও কিশোর গ্যাংয়ের পেছনে সমাজের প্রভাবশালী ও সম্মানিত ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. জুয়েল রানা।
সম্প্রতি মোহাম্মদপুর এলাকায় এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
এডিসি জুয়েল রানা বলেন, তদন্তে এমন অনেক ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে, যাদের বিভিন্ন সময় মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজি ও কিশোর গ্যাং ঠেকাতে সহযোগিতার জন্য পুলিশ ফোন করত। কিন্তু তদন্তে দেখা গেছে, তারাই এসব অপরাধচক্রের গডফাদার হিসেবে কাজ করছেন।
তিনি বলেন, “যাদের এলাকায় সম্মান আছে, অবস্থান আছে, পদ-পদবি আছে—তারাই মাদকের গডফাদার, কিশোর গ্যাং ও ছিনতাইকারীদের গডফাদার হিসেবে জড়িত।”
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, এসব প্রভাবশালী ব্যক্তি আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তাদের ডেকে এনে রাজনৈতিক ও স্থানীয় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।
তার ভাষ্য, “তাদের উদ্দেশ্য সামনে কাউন্সিলর নির্বাচন করা। এজন্য তারা সন্ত্রাসীদের সহযোগিতা চাইছে, জনগণের সহযোগিতা নয়।”
জুয়েল রানা জানান, অভিযুক্তদের নামের তালিকা সরকারকে দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে।
তিনি বলেন, “আমরা লিস্ট ধরে ধরে সরকারকে জানিয়েছি। ইতোমধ্যে কঠিন সিদ্ধান্ত আসছে। আজকেই কয়েকজনকে ধরেছি। আপনারা হয়তো নিউজে পাবেন। বাকিদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে, ইনশাআল্লাহ।”
