desh somoy logo
ঢাকাThursday , 21 May 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আবহাওয়া
  4. ইসলাম
  5. খেলা
  6. চট্টগ্রাম বিভাগ
  7. চাকরি
  8. ঢাকা বিভাগ
  9. ধর্ম
  10. প্রযুক্তি সময়
  11. বরিশাল বিভাগ
  12. বানিজ্য
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. বিশ্ব

খাদ্যে ভেজাল রোধে আইনের প্রয়োগ জরুরি

Link Copied!

অপরিকল্পিত নগরায়ণ, পানিদূষণ, বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ যেমন জনস্বাস্থ্যের উপর ব্যাপক বিরূপ প্রভাব ফেলছে। তার চেয়েও ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে খাদ্যের ভেজাল। ভেজাল খাদ্য কিনে মানুষ প্রতারিত ও জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। খাদ্যে ভেজাল এমন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে যে, কোনো সচেতন মানুষের পক্ষে কোনো খাদ্যই স্বস্তির সঙ্গে খাওয়া দুষ্কর হয়ে পড়েছে। বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানো খাবার পুষ্টির বদলে মানুষকে আরও রোগাক্রান্ত করছে। খাদ্যপণ্যে ভেজাল জনস্বাস্থ্যের জন্য এ মুহূর্তে এক নম্বর হুমকি। খাদ্য সামগ্রী ও কৃষি উৎপাদনে ব্যাপক বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রণের খবর ছড়িয়ে পড়ার ফলে দেশের সাধারণ ভোক্তারা উৎকণ্ঠিত হয়ে পড়েছেন। 

বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি বছর বিশ্বের প্রায় ৬০ কোটি মানুষ ভেজাল ও দূষিত খাদ্য গ্রহণের কারণে অসুস্থ হয়। এর মধ্যে মারা যায় ৪ লাখ ৪২ হাজার মানুষ। এ ছাড়া দূষিত খাদ্য গ্রহণজনিত কারণে পাঁচ বছরের কম বয়সের আক্রান্ত হওয়া ৪৩ শতাংশ শিশুর মধ্যে মৃত্যুবরণ করে ১ লাখ ২৫ হাজার। 

পরিবেশ বাঁচাও অন্দোলনের (পবা) এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধু ভেজাল খাদ্য গ্রহণের কারণে প্রতি বছর দেশে দুই লাখ লোক কিডনি রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। দেশের শতকরা ৯৭ ভাগ মানুষ হৃদরোগের ঝুঁকিতে রয়েছে বলে এক সমীক্ষায় জানা গেছে। বর্তমানে প্রায় ২ কোটি মানুষ কিডনী রোগে আক্রান্ত এবং ২০ লক্ষাধিক মানুষ ক্যান্সারের সাথে লড়াই করছে। প্রধান এ তিনটি রোগ ছাড়াও আরো বেশকিছু স্বাস্থ্য জটিল রোগে ভুগছে কোটি কোটি মানুষ। এসব স্বাস্থ্য সমস্যার মূলে রয়েছে পরিবেশগত দূষণ এবং খাদ্যে ভেজাল। 

ভেজাল খাদ্যের কারণে জনস্বাস্থ্যের যে ক্ষতি হয় তা পুরো স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উপর যেমন চাপ পড়ে তেমনি অসংখ্য পরিবার চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। হেটেলগুলোতে এখন নানা ধরনের কেমিক্যালের পাশাপাশি মোবিল ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব ভেজাল ও মারাত্মক ক্ষতিকর খাদ্য প্রতিরোধে যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে জনস্বাস্থ্যের জন্য তা ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। ভেজালবিরোধী কার্যক্রম ও অভিযানের কথা গণমাধ্যমে উঠে আসলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা খুবই অপ্রতুল। 

খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত হওয়ায় খাদ্যের ভেজাল প্রতিরোধ রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে খাদ্যে ভেজাল দেয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান থাকলেও বছরের পর বছর ধরে খাদ্যে ভেজাল মিশিয়ে দুষ্টচক্র পার পেয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ ও পদক্ষেপ লক্ষ্যণীয় নয়। আইন থাকলেও আইনের যথাযথ প্রয়োগ না থাকায় খাদ্যে ভেজাল, প্রতারণা ও পরিবেশগত দূষণের ভয়াবহতা রোধ করা যাচ্ছে না। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তৎপর হলে ভেজাল নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। 

নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এই আইনের ৭৫ ধারা অনুযায়ী, এ আইনের আওতায় করা অপরাধের বিচারের জন্য মোবাইল কোর্ট আইন ২০০৯’-এর অধীন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার বিধান রাখা হয়েছে। যাতে জরুরি কোনো পরিস্থিতি দ্রুততার সঙ্গে সামলানো যায়। এটি স্পষ্ট যে, এই ভ্রাম্যমাণ আদালত ব্যবস্থা সাময়িক। এটি অস্থায়ী, এর এখতিয়ার সীমাবদ্ধ এবং তাও বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য। এতে আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে কারাদণ্ড প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। কিন্তু ‘প্রশাসনিক জরিমানা’ আরোপের ক্ষমতা দিয়েছে, যার সীমা অনধিক তিন লাখ টাকা পর্যন্ত (ধারা ৭৮)। কেউ জরিমানা পরিশোধ না করলে সেজন্য নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কাউকে কারাদণ্ড বা অন্য কোনো দণ্ড আরোপের ক্ষমতা রাখে না। সে ক্ষেত্রে সরকারি দাবি আদায় আইন-১৯১৩ অনুসারে সরকারি দাবি গণ্যে সেটি আদায়যোগ্য বিবেচিত হয়। 

দেখা যাচ্ছে, এ আইনের আওতায় বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে মামলা করার পরিবর্তে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ শুধু প্রশাসনিক জরিমানা আদায়কে গুরুত্ব দিচ্ছে। এতে বেপরোয়া হয়ে উঠছে ভেজাল খাদ্য উৎপাদক ও সরবরাহকারীরা।

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বিশেষ আইন প্রণীত হয়েছে ২০১৩ সালে। নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩’-এর ২ ধারা অনুযায়ী ‘নিরাপদ খাদ্য’ বলতে প্রত্যাশিত ব্যবহার ও উপযোগিতা অনুযায়ী মানুষের জন্য বিশুদ্ধ ও স্বাস্থ্যসম্মত আহার্য বুঝানো হয়েছে। এ আইনের ধারা ৬৪ অনুযায়ী ‘বিশুদ্ধ খাদ্য আদালত’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ধারা ৬৫ অনুযায়ী সেই আদালতের বিচারক হবেন একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট। এই আদালতে খাদ্য-সংক্রান্ত সব অপরাধের বিচার হবে। এটি খাদ্য-সংক্রান্ত সব অপরাধের বিচারের জন্য মূল এবং নিয়মিত বিচারিক আদালত। ধারা ৬৬ (২) অনুযায়ী নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বা তদকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা বা পরিদর্শক অভিযোগ পেলে অভ্যন্তরীণ তদন্ত ও অনুসন্ধান শেষে বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে মামলা করবেন। এটি নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের মূল আইনি দায়িত্ব। এ ছাড়া ধারা ৬৬ (৩) অনুযায়ী যেকোনো সাধারণ নাগরিক নিজেও অভিযোগের কারণ উদ্ভবের ৩০ দিনের মধ্যে সরাসরি বিশুদ্ধ খাদ্য আদালতে মামলা করতে পারেন। নিরাপদ খাদ্য আইনে ‘সামারি ট্রায়াল’ বা দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ আইনের আওতায় নিরাপদ খাদ্য আদালত ন্যূনতম ৬ মাস থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ন্যূনতম ১ লাখ থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড আরোপ করার ক্ষমতা রাখেন। অপরাধের পুনরাবৃত্তিতে ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। ৬২ ধারা অনুসারে আদায় করা অর্থদণ্ডের ২৫ শতাংশ অভিযোগকারী ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রাপ্য হবেন।

ভেজালবিরোধী অধিকাংশ আইন বর্তমানে অকার্যকর। খাদ্যপণ্যে বিষাক্ত ফরমালিন ও কারবাইড ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক ফরমালিন ও কারবাইডের অবৈধ ব্যবহার রোধে ইতোমধ্যে সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছে, তা যথাযথভাবে কার্যকর নয়। খাদ্যে ভেজাল নিয়ন্ত্রণে বিদ্যমান আইনগুলো খুবই দুর্বল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রয়োগ নেই। এমন কি যেসব সরকারি সংস্থা ভেজাল প্রতিরোধে কাজ করছে তাদের মধ্যে সমন্বয় নেই। ফলে বাজার তদারকি ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়েছে। ভেজালপণ্য তৈরির অপরাধে শাস্তির বিধানও পর্যাপ্ত নয়। মাঠ পর্যায়ে বাজার তদারকি ঠিকমতো চলছে না। সক্ষমতা এবং অবহেলার অভাব রয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার। এসব কারণে ভেজাল প্রতিরোধে আশানুরূপ ফল আসছে না। 

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে জনগণকে সচেতন হতে হবে। একই সঙ্গে বাজারে নজরদারি আরও বাড়াতে হবে। ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে হবে, যাতে ফরমালিন ও কারবাইডের মতো বিষাক্ত দ্রব্য খাবারে না মেশায়। এ জন্য প্রচলিত আইন আরও কঠোর করে যথাযথ প্রয়োগ এবং জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। তীব্র খাদ্যনিরাপত্তাহীনতার মধ্যে থাকা বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ দেশের মধ্যে চতুর্থ স্থানে আছে বাংলাদেশ। বৈশ্বিক খাদ্যসংকট নিয়ে প্রকাশিত ‘গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস ২০২৫’-এ এই তথ্য উঠে এসেছে। জাতিসংঘের পাঁচটি সংস্থা মিলে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সংস্থাগুলো হলো এফএও, ইফাদ, ডব্লিউএফপি, ডব্লিউএইচও ও ইউনিসেফ। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) দেওয়া ‘গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিস’ শীর্ষক পৃথক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে তীব্র খাদ্যসংকটে থাকা ১০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ চতুর্থ।

দুই প্রতিবেদন অনুসারে, শুধু খাদ্যনিরাপত্তার সংকটেই নয়, স্বাস্থ্যকর বা সুষম খাদ্য গ্রহণের দিক থেকেও বাংলাদেশ পিছিয়ে। এ বিষয়ে গত সাত বছরে অনেকটা উন্নতি হলেও এখনো দেশের ৭ কোটি ৭১ লাখ মানুষ স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পায় না। দেশের ১০ শতাংশের বেশি মানুষ অপুষ্টির শিকার।

দারিদ্র্যের কোন সূচকে কী অবস্থায় বাংলাদেশ : 

দেশে ৪৪ শতাংশের বেশি বা ৭ কোটি ৭১ লাখ মানুষ স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পায় না এখনো। ২০১৭ সালে এ অনুপাত ছিল ৬৫ দশমিক ৭ শতাংশ। অর্থাৎ সাত বছরে উন্নত মানের খাদ্য না পাওয়া মানুষের সংখ্যা কমেছে প্রায় ১৯ শতাংশ। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সুষম খাদ্য না পাওয়ার দিকে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। এ ক্ষেত্রে শীর্ষে আছে পাকিস্তান। দেশটির ৬০ শতাংশ মানুষ স্বাস্থ্যসম্মত খাবার পায় না। অথচ দেশটিতে সাত বছর আগে এমন মানুষের হার ছিল ৫৮ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে থাকা ভারতের ৪০ শতাংশ মানুষ এ ধরনের ভালো খাবার থেকে বঞ্চিত। দেশটিতে ২০১৭ সালে এমন মানুষের হার ছিল ৫৯ শতাংশের কিছু বেশি। দক্ষিণ এশিয়ায় এ খাতে সবচেয়ে এগিয়ে মালদ্বীপ। দেশটিতে এমন খাবার না পাওয়া মানুষ মোট জনসংখ্যার ১ শতাংশ। ভুটানের ৪ শতাংশ এবং নেপালের ২০ শতাংশ মানুষ বঞ্চিত সুষম খাদ্য থেকে।

পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে অপুষ্টিজনিত ওজন কম থাকার হার বাংলাদেশে ১০ শতাংশ। ভারতে এ হার ১৮ এবং পাকিস্তানে ৭। বাংলাদেশে এ বয়সী শিশুদের মধ্যে খর্বকায় অন্তত ২৫ শতাংশ। ভারত ও পাকিস্তানে যথাক্রমে তা ৩৩ ও প্রায় ৩৭ শতাংশ।

নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থাপনায় গুণগত পরিবর্তন আবশ্যক। আধুনিক ও স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে চাষাবাদের জন্য কৃষককে আগ্রহী করতে হবে। এছাড়া এক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অন্য প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ও সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। সচেতনতার মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্যের ব্যাপক চাহিদা সৃষ্টি করতে হবে। নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করতে না পারলে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ করার কথা চিন্তাও করা যায় না। কৃষিতে ঢালাওভাবে রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবহার হচ্ছে। ফলে শাকসবজি ও ফলসহ বিভিন্ন খাদ্যের মাধ্যমে কীটনাশক মানুষের দেহে প্রবেশ করছে, যা শরীরের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এ বিষয়ে কৃষকদের সচেতন করতে হবে।

দূষিত ও ভেজাল খাদ্য রোধে যুক্তরাষ্ট্রের এফডিএর মতো শক্তিশালী তদারক ও মান নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠন করতে হবে। বর্তমানে একাধিক মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজটি পরিচালিত হওয়ায় সমন্বয়ের অভাব লক্ষণীয়। এক্ষেত্রে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকেই আরো শক্তিশালী করা যেতে পারে। পাশাপাশি মান নিয়ন্ত্রক হিসেবে বিএসটিআইয়ের গবেষণা ও তদারকি আরো বাড়াতে হবে। সচেতনতার অভাবে খাদ্যদূষণ রোধ করা যাচ্ছে না। এক্ষেত্র খাদ্যে ভেজাল কারীদের কঠোর আইনের মধ্যে আনতে হবে। শুধু আইন প্রণয়ন নয়, আইনের প্রয়োগ করতে হবে। 

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।