আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে শতভাগ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে শ্যামলীর টিবি হাসপাতালে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহায়তায় জাতীয় যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির জন্য জিনএক্সপার্ট কার্টিজ ও শিশুদের যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ৬ লাখ জিনএক্সপার্ট কার্টিজ এবং ১১ হাজার শিশুর জন্য যক্ষ্মা প্রতিরোধী ওষুধ দেওয়া হয়েছে, যা দেশের যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, দেশে ভ্যাকসিন ও সিরিঞ্জের কোনো সংকট নেই এবং দ্রুতই সব কেন্দ্রে সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।
পোলিও ভ্যাকসিন সংকট নিয়ে প্রকাশিত একটি সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং দেশে পোলিও ভ্যাকসিনের কোনো ঘাটতি নেই।
গত কয়েক বছরে টিকাদান কার্যক্রমে ঘাটতির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, হাম প্রতিরোধে দীর্ঘদিন কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়েছিল। তবে সরকার জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করেছে। এ ক্ষেত্রে ইউনিসেফ, গ্যাভি, বিশ্বব্যাংক ও যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি জানান, পূর্বনির্ধারিত সময়ের আগেই ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী হামের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। বর্তমানে লক্ষ্যমাত্রার ৬১ শতাংশ অর্জিত হয়েছে এবং ইতোমধ্যে অনেক এলাকায় শতভাগ কভারেজ সম্পন্ন হয়েছে। টিকাদান কার্যক্রম শুরু হওয়া প্রথম ৩০টি উপজেলায় এখন হামের কোনো রোগী নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রোগীর চাপ সামাল দিতে অস্থায়ী তাঁবুর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। পাশাপাশি মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি করপোরেশনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
