কৃষকের উন্নতির কথা চিন্তুা করে এবং বর্ষা কালে জলবদ্ধতা কমাতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির আদলে সারাদেশে খাল খননে উদ্যোগ গ্রহন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তারই ধারাবাহিকতায় রাঙামাটিতে খাল খনন কাজের উদ্বোধন করেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী অ্যাডভোকেট দীপেন দেওয়ান।
রোববার (২৬ এপ্রিল) সকালে রাঙামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ও কুতুকছড়ি ইউনিয়নে মানিকছড়ি ব্রীজ হতে বোধিপুর এলাকার বড়পাড়া নালা পর্যন্ত এবং কুতুকছড়ি বাজার হতে মোনতলা পর্যন্ত মাউরুম খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
এসময় পার্বত্য মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার ৩১দফা সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনায় খাল খনন কার্যক্রম শুরু করেছে। এ কর্মসূচি সফল হলে কৃষি উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি দেশের পরিবেশগত ভারসাম্যও পুনরুদ্ধার হবে।
পার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরো বলেন, বিগত সরকারের আমলে এ কার্যক্রম বন্ধ থাকায় অনেক খাল ভরাট হয়ে যায়। এতে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হয়, শুষ্ক মৌসুমে পানি সংকট তৈরি হয় এবং জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
তিনি আরো বলেন, খাল খনন শেষে এসব এলাকায় উদ্যোক্তা সৃষ্টি করে কর্মক্ষম ব্যক্তিদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহন করা হবে।
খাল খনন কর্মসূচীতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, পাবর্ত্য মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব বরীন্দ্র চাকমা, রাঙামাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল হোসেন চৌধুরী, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আহাম্মদ সফি, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন ও সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পনির সহ বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এবিষয়ে রাঙামাটি সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রিয়াদুল ইসলাম জানান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) মাধ্যমে রাঙামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি, কুতুকছড়ি, বন্দুকভাঙ্গা ও বালুখালী ইউনিয়নে ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন করা হবে। এতে করে প্রায় ৫০হাজার পরিবার সুবিধাভোগী হবে বলেও জানান তিনি।
